ক্যাস্পারসকি ইন্টারনেট সিকিউরিটি ২০১১ অফলাইন ইন্সটলার সরাসরি ডাউনলোড করতে পারেন “এখান” থেকে।
Monday, July 25, 2011
ক্যাস্পারসকি ইন্টারনেট সিকিউরিটি ২০১১ জন্য ১ বছরের ফ্রী লাইসেন্স কী সংগ্রহ করুন
ক্যাস্পারসকি ইন্টারনেট সিকিউরিটি ২০১১ অফলাইন ইন্সটলার সরাসরি ডাউনলোড করতে পারেন “এখান” থেকে।
আপনার কম্পিউটারে উইন্ডোজের স্টার্ট ম্যানু ইচ্ছে মত সাজিয়ে নিন
কম্পিউটারের স্টার্ট ম্যানু নিজের ইচ্ছেমত সাজিয়ে নিতে কার্যকরী একটি টুলস্ Handy Start Menu এটি ফ্রিওয়্যার একটি টুলস্ যা স্ট্যার্ট ম্যানু ইচ্ছমত সাজাতে আপনাকে সাহায্য করবে।
Handy Start Menu
হ্যাক করুন আপনার বন্ধুদের পাসওয়ার্ড
এটি ডাউনলোড করে আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করে নিন এবার সেই কম্পিউটারে ব্যাবহৃত পাসওয়ার্ড, ওয়েবসাইট সবকিছুই জমা হবে সফটওয়্যার’টি তে।
http://www.mediafire.com/?763e96dkrhphg6t
সিরিয়াল কী’সহ ফুল ভার্শন পাবেন ডাউনলোড লিঙ্কে, সফটওয়্যার’টি ইন্সটল করার পর সিরিয়াল কী দিয়ে ফুল ভার্শন ব্যাবহার করতে পারবেন তবে ভার্শন’টি আপডেট করতে যাবেন না তাহলে সিরিয়াল কী কাজ করবে না।*** দয়াকরে এটি দ্বারা কারো ক্ষতি করবেন না, এটি জাস্ট মজা করার জন্য। আপনার বন্ধুর পাসওয়ার্ড হ্যাক করার পর যখন সে জানতে পারবে সে নিশ্চয় অবাক হবে !!!
সফটওয়্যার’টি সম্পর্কে আরো জানতে: www.refog.com
খুজেঁ বের করুন যে কোন সফটওয়্যারের সিরিয়াল কী অথবা ক্র্যাক ফাইল
নেট থেকে আপনি সহজেই অনেক সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারবেন কিন্তু সিরিয়াল কী’র অভাবে হয়তো কিছুদিন পর আর ব্যাবহার করতে পারবেন না। পেইড সফটওয়্যারগুলো একটিভ রাখতে সেগুলো কে সিরিয়াল কী বা ক্র্যাক দ্বারা একটিভ রাখতে হয়। নেট থেকে সিরিয়াল কী, ক্র্যাক খুজে বের করতে আমি তিন’টি পথ অনুসরন করি আপনিও এভাবে খুজলে পেয়ে যাবেন।
১) Craagle সফটওয়্যার
২) গুগল সার্চ টিকস্ এবং
৩) সিরিয়াল সার্চ ওয়েবসাইট
১) Craagle সফটওয়্যার :
এটি একটি ফ্রি টুলস যা দ্বারা আপনি নেট থেকে খুব সহজে সিরিয়াল কী / ক্র্যাক নামিয়ে নিতে পারবেন। এই সফটওয়্যার’টি মুলত জনপ্রিয় সব সিরিয়াল কী সাইট থেকে সিরিয়াল কী / ক্র্যাক খুজে দেবে আপনাকে। প্রথমে ছোট্ট এই সফটওয়্যার’টি নিচের লিঙ্ক থেকে নামিয়ে নিন তারপর সার্চ অপশনে আপনার সফটওয়্যার নাম এবং ভার্শন দিয়ে সার্চ করুন । সার্চ দেবার পর কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন তারপর পর আপনার কাঙ্খিত সফটওয়্যার সিরিয়াল বা ক্র্যাক। এটি ব্যাবহার করার সময় আপনার কম্পিউটারের এন্টিভাইরাস বন্ধ করে রাখবেন আর না হয় এটি’কে ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। এটি কম্পিউটারের কোন ক্ষতি করবে না।
Craagle 4.0
২) গুগল সার্চ টিকস্ :
গুগল সার্চে 94FBR কিওয়ার্ডের সাহায্যে খুব সহজেই অনেক প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারের সিরিয়াল কী খুজে পাওয়া যায়। প্রথমে গুগল সার্চে প্রবেশ করুন (www.google.com) তারপর যদি আপনি ফটোশপের সিরিয়াল কী খুজতে চান তাহলে সার্চ বক্সে নিচের মত করে সার্চ করুন।
- “Photoshop 7″ 94FBR
- “Age of Mythology” 94FBR
- “Nero Burning Rom 5.5″ 94FBR
প্রথমে আপনি যে সফটওয়্যারের সিরিয়াল খুজতে চান তার নাম এবং 94FBR দিয়ে সার্চ করুন।
৩) সিরিয়াল সার্চ ওয়েবসাইট :
নেটে অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা ফ্রি সিরিয়াল কী বা ক্র্যাক দেয়। সেসব সাইটে প্রবেশ করে আপনি সহজেই খুজে পেতে পারেন প্রয়োজনীয় অনেক দামী সফটওয়্যারের সিরিয়াল কী বা ক্র্যাক।
সিরিয়াল কী বা ক্র্যাক খোজাঁর কিছু সাইট হলো :
- www.serials.ws
- www.keygen.in
- www.smartserials.com
- www.keygenguru.com
- www.serialkey.net
- www.zcrack.com
- www.subserials.net
- www.serialportal.com
- supercracks.net
- www.serialcrackz.com
- www.serials.be
- www.cracktop.com
- www.cracksfm.com
- www.cracklib.net
- www.crackdb.org
- www.theserials.com
ভিডিও ফাইল থেকে সহজেই ডিভিডি তৈরী করুন Free DVD Creator দ্বারা
যেভাবে Free DVD Creator দ্বারা ডিভিডি তৈরী করবেন:
প্রথমে ডাউনলোড লিঙ্ক থেকে সফটওয়্যার’টি ডাউনলোডের পর ইন্সটল করুন। সফটওয়্যার’টি চালু করলে Crear Video DVD এ ক্লিক করুন।তারপর Add অপশনে ক্লিক করে আপনার নিবার্চিত ফাইলগুলো এড করে দিন। ভিডিও সেটিং থেকে প্রয়োজনীয় অপশন সম্পাদন করতে হবে।
DVD ম্যানু থেকে আপনার ইচ্ছেমত ম্যানু এডিট করতে পারবেন এবং প্রিভিও দেখতে পারবেন।
নেক্সট বাটনে ক্লিক করার পর Start Burning এ ক্লিক করুন তারপর আপনার ভিডিও ফাইল থেকে ডিভিডি তৈরী হবে।
ছবি থেকে কার্টুন তৈরী করুন Photo to Cartoon সফটওয়্যার দ্বারা
দারুন এবং সহজ একটি সফটওয়্যার হলো Photo to Cartoon। এই সফটওয়্যার দ্বারা আপনার ছবিকে কার্টুন আকারে তৈরী করতে বা কনভার্ট করতে পারবেন। ছোট্ট একটি সফটওয়্যার এটি। প্রথমে সফটওয়্যার’টি নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড আপনার কম্পিউটারে চালু করুন
তারপর File থেকে Lode photo তে ক্লিক করে আপনার পছন্দের ছবি দেখিয়ে দিন এবার Step 1,2,3 থেকে মডিফাই করে আউটপুট প্রিভিউ দেখতে পারবেন এবং ছবিটি আপনার কম্পিউটারে সেভ করতে পারবেন। সফটওয়্যার’টি 3.7 Mb নিচের ডাউনলোড লিঙ্ক থেকে ইন্সটলার এবং পোর্টবেল আকার দু;টি লিঙ্ক থেকে আপনার’টি ডাউনলোড করে নিন।ডাউনলোড করুন দারুন সব স্ক্রিনসেভার আপনার কম্পিউটারের জন্য
আপনার কম্পিউটারের দারুন দারুন সব স্ক্রিনসেভার ব্যাবহার করার জন্য ফ্রি ডাউনলোড করুন স্ক্রিনসেভারের বিশাল সংগ্রহশালা হতে আপনার’টি। উইন্ডোজের প্রায় সকল ভার্শনে এসব স্ক্রিনসেভারগুলো ব্যাবহার করতে পারবেন। এবং আকারে ছোট, সর্ম্পূন ফ্রি ডাউনলোড করা যাবে।
NewFreeScreenSavers.com
NewFreeScreenSavers.com সাইটের মাধ্যমে আপনি প্রচুর ফ্রি স্ক্রিনসেভার ফ্রি ডাউনলোড করতে পারবেন। এতে কোন প্রকার স্পাইওয়্যার, এডওয়্যার, এবং ভাইরাস নেই। দারুন সব স্ক্রিনসেভার বেছে নিন এক্ষুনি।আপনার ভিজিট করা ওয়েবপেজ গুলোকে সহজেই PDF ফরমেটে কম্পিউটারে সেভ করুন…
আমরা প্রতিদিন অনেক ওয়েবসাইট ভিজিট করে থাকি কিন্তু কিছু দিন পরেই তা ভুলে যাই। বুকমার্ক করে রাখলেও সেটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা হয়ে উঠে না অনেক পেজের মাঝে অথবা কম্পিউটার সেটআপ করার পর বুকমার্ক লিষ্ট থেকে মুছে যায়।
এখন HTML to PDF Converter দিয়ে আপনি সহজেই আপনার ভিজিট করা আকর্ষনীয় বা পরবতীর্তে কাজে লাগতে পারে এমন ওয়েবপেজ গুলো আপনার কম্পিউটারে সেভ করে রাখতে পারেন। ১ মেগাবাইটের কম সফটয়্যারটি দিয়ে আপনি PDF আকারে ফাইল বানিয়ে রাখতে পারেন। ফাইলের সাইজও তেমন বড় হয়না। নিচের লিঙ্ক থেকে সফটয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন আর এটি ইন্সটল করার জামেলা নেই। ফাইলটি ডাউনলোড করার পর এ্যাপ্লিকেশনটি রান করুন এবং প্রোগামটি চালু হবার পর কাঙ্কখিত পেজটির লিঙ্কটি পেষ্ট করে দিন। > এখানে ক্লিক করে সফটয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।

অনলাইনে ফ্রি’তে লোগো তৈরী করার জন্য ১০’টি সেরা সাইট
1. Cooltext.com
2. Logomaker.com
3. Logoyes.com
4. Logoease.com
5. Onlinelogomaker.com
6. Simwebsol.com
7. Xtvworld.com
8. Logodesignengine.com
9. Logogenerator.com
10. Logosnap.com
১০ সাইটের স্ক্রিনসর্টের সাথে সাইটের লিঙ্ক দেয়া আছে। পোস্টের ছবি’তে ক্লিক করলে সেই সাইটে প্রবেশ করতে পারবেন।
অডিও, ভিডিও, ইমেজ, ডকুম্যান্ট ফাইল অনলাইনে কনভার্ট করার দারুন একটি ফ্রি সাইট
আমাদের নানা কাজে একফরমেটের ফাইলকে অন্য ফরমেটে কনভার্ট করার প্রয়োজন হয়। আর ফাইল কনভার্ট করতে দারুন একটি সাইট হলো online-convert.com। এই সাইট দ্বারা Audio Convert, Video Convert, Image Convert, Document Convert, Ebook Convert, Hash Convert দ্রুত ফাইল ফ্রি কনভার্ট করতে পারবেন। প্রথমে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আপনার ফাইল আপলোড করে দিন তারপর ড্রপডাউন ম্যানু থেকে পছন্দমত ফরমেট নিবার্চন করে ফাইল কনভার্ট করতে পারবেন। জনপ্রিয় প্রায় সব ফরমেটে ফাইল কনভার্ট করতে পারবেন সাইটি দ্বারা। কোন প্রকার রেজিষ্ট্রেশনের জামেলা নেই। এছাড়া অন্যান্য সাইট থেকে ফাইলের URL দ্বারা আপনার পছন্দমত অডিও ভিডিও ফরমেটে ফাইল কনভার্ট করে ডাউনলোড করতে পারবেন। ইউটিউবের ভিডিও’কে অডিও ফাইলে কনভার্ট করতে পারবেন অথবা আপনার পছন্দমত ফরমেটে কনভার্ট করে নিতে পারবেন।
সাইটি’তে প্রবেশ করার লিঙ্ক: www.online-convert.com
আপনার কম্পিউটার’কে সহজেই ওয়াই-ফাই হটস্পট বানিয়ে ফেলুন আর ইচ্ছে মত আপনার ইন্টারনেট সংযোগ শেয়ার করুন।।।
প্রায় অনেকের এরকম সমস্যা হয়ে থাকে দেখা যায় বাসার একটি কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ আছে কিন্তু অন্যান্য ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হয়। যেমন: ডেক্সটপে মডেমের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যাবহার করছেন আপনি চাইলে আপনার মোবাইলে, ল্যাপটপে, ট্যাবলেটে পিসি’তে বা অন্য কম্পিউটারে সহজেই আপনার ইন্টারনেট সংযোগ ওয়াই-ফাইয়ের মাধম্যে শেয়ার করতে পারেন। এর জন্য ছোট্ট একটি পোর্টেবল টুলস্ ‘MHotSpot’ ব্যাবহার করতে পারেন। এটি মাত্র ৫.৭ মেগাবাইট এবং ফ্রি টুলস্।

mhotspot একটি ফ্রি্ওয়্যার টুলস্ এবং ইন্সটল করার কোন জামেলা নেই। উইন্ডোজ সেভেন এবং ভিসতা অপারেটিং সিস্টেমে এটা কাজ করবে। ভ্যাচুয়ার্ল ওয়াই-ফাই হটস্পর্ট হিসেবে কাজ করবে।


উপরের ছবির মত কন্ট্রোল প্যানেল থেকে নেটওয়ার্ক এন্ড ইন্টারনেট সেটিং থেকে আপনার ব্যাবহার করা মডেম বা ড্রাইভার’টি সিলেক্ট করুন।

মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে Properties থেকে Sharing ট্যাব থেকে allow other network users to connect through this computer’s internet connection এ ক্লিক করে হোম নেটওয়ার্কিং কানেকশন থেকে wireless network connection সিলেক্ট করে ok তে ক্লিক করুন।

ডেস্কটপ থেকে mHotSpot টুলস্’টি ডাবল ক্লিকের মাধ্যমে রান করুন। Setup Hotspot অপশনে ক্লিক করুন… এবার enter name এ নাম দিয়ে এন্টার এবং ৮ ডিজিটের পাসওয়ার্ড দিয়ে এটার চাপুন। এরপর Start এ ক্লিক করে দিন।

এবার taskbar থেকে এ wireless network connection আইকনে ক্লিক করার পর Currently connected to: থেকে আপনার নেটওয়ার্ক’টি দেখতে পাবেন।

এবার আপনার মোবাইল বা অন্য কম্পিউটার/ল্যাপটপে Wi-Fi networks থেকে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন তারপর পার্সওয়াড দিয়ে কানেক্টেড হয়ে যান…. আর ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে থাকুন।।।
এছাড়া আরো জানতে ভিজিট করুন: mhotspot.com, আরো টিউটোরিয়াল দেখতে এখানে ক্লিক করতে পারেন এবং নিচের ভিডিও’টি দেখতে পারেন… http://youtu.be/Y6ABC5QmTjs
mhotspot একটি ফ্রি্ওয়্যার টুলস্ এবং ইন্সটল করার কোন জামেলা নেই। উইন্ডোজ সেভেন এবং ভিসতা অপারেটিং সিস্টেমে এটা কাজ করবে। ভ্যাচুয়ার্ল ওয়াই-ফাই হটস্পর্ট হিসেবে কাজ করবে।
> Download MHotSpot <
প্রথমে উপরের ডাউনলোড লিঙ্ক থেকে ফাইল’টি ডাউনলোড করে আপনার কম্পিউটারে রাখুন বা ডেস্কটপে সংরক্ষন করুন।উপরের ছবির মত কন্ট্রোল প্যানেল থেকে নেটওয়ার্ক এন্ড ইন্টারনেট সেটিং থেকে আপনার ব্যাবহার করা মডেম বা ড্রাইভার’টি সিলেক্ট করুন।
মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে Properties থেকে Sharing ট্যাব থেকে allow other network users to connect through this computer’s internet connection এ ক্লিক করে হোম নেটওয়ার্কিং কানেকশন থেকে wireless network connection সিলেক্ট করে ok তে ক্লিক করুন।
ডেস্কটপ থেকে mHotSpot টুলস্’টি ডাবল ক্লিকের মাধ্যমে রান করুন। Setup Hotspot অপশনে ক্লিক করুন… এবার enter name এ নাম দিয়ে এন্টার এবং ৮ ডিজিটের পাসওয়ার্ড দিয়ে এটার চাপুন। এরপর Start এ ক্লিক করে দিন।
এবার taskbar থেকে এ wireless network connection আইকনে ক্লিক করার পর Currently connected to: থেকে আপনার নেটওয়ার্ক’টি দেখতে পাবেন।
এবার আপনার মোবাইল বা অন্য কম্পিউটার/ল্যাপটপে Wi-Fi networks থেকে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন তারপর পার্সওয়াড দিয়ে কানেক্টেড হয়ে যান…. আর ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে থাকুন।।।
এছাড়া আরো জানতে ভিজিট করুন: mhotspot.com, আরো টিউটোরিয়াল দেখতে এখানে ক্লিক করতে পারেন এবং নিচের ভিডিও’টি দেখতে পারেন… http://youtu.be/Y6ABC5QmTjs
গুগল ডেস্কটপ ডাউনলোড করুন আপনার কম্পিউটারের জন্য
এটি ব্যবহারের বড় সুবিধা হলো, এটি কম্পিউটারের যেকোনো তথ্য বের করতে পারে, ফলে আলাদা করে তথ্য ব্যবহারকারীকে সাজিয়ে রাখতে হয় না। গুগল ডেস্কটপের সার্চ ইঞ্জিনটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারীকে তার দরকারি ফাইল খুঁজতে বারবার বড় অ্যাপ্লিকেশন খুলে দেখতে না হয়। ব্যবহারকারী প্রিভিউ অপশন ব্যবহার করে সহজেই তার প্রয়োজনীয় ফাইল খুুঁজে বের করতে পারবে। এ ছাড়া গুগল ডেস্কটপ একই নামের বিভিন্ন ফাইল আলাদা করে সার্চ রেজাল্টে দেখায়। গুগল ডেস্কটপের কুইক সার্চ বক্সের অন্যতম একটি চমৎকার বৈশিষ্ট্য। ডেস্কটপে দুবার কন্ট্রোল বাটন টিপ দিলে এটি আসবে, আবার দুবার চাপ দিলে চলে যাবে। এর মাধ্যমে একই সঙ্গে ডেস্কটপ ও ওয়েব সার্চ করা যায়। এতে প্রথম কয়েকটি শব্দ টাইপ করলেই সেই শব্দের সঙ্গে মিল আছে, এমন ফলাফলগুলো দেখাতে থাকে।
গুগল ডেস্কটপ ইনস্টল করার পরপরই এটি ই-মেইল, ফাইল, ওয়েব হিস্ট্রি ইত্যাদি ইনডেক্সিং করা শুরু করে। এটি নির্ভর করে কম্পিউটারে কী পরিমাণ ফাইল আছে তার ওপর। কম্পিউটার আইডল অবস্থায় থাকলে গুগল ডেস্কটপ এ কাজটি করে, ফলে ব্যবহারকারী ব্যবহার করার সময় এটি কম্পিউটারের গতি কমায় না। গুগল ডেস্কটপ মোটামুটি সব ধরনের ফাইলই সমর্থন করে।
গুগল ডেস্কটপ কম্পিউটারের ক্যাশে কপি করে রাখে, ফলে কোনো ফাইল ব্যবহারকারী ভুলে ডিলেট করে ফেললে তা গুগল ডেস্কটপ দিয়ে সার্চ করে খুঁজে বের করা সম্ভব। এ ছাড়া অ্যাডভান্স সার্চ অপশনের মাধ্যমে সার্চ করার সীমানা নির্দিষ্ট করে দেওয়া যায়।
গুগল ডেস্কটপই প্রথম ডেস্কটপ গ্যাজেট ও সাইডবারের ধারণা দেয়। গুগল ডেস্কটপ ইনস্টল করলে একটি সাইডবার ডেস্কটপে দেখা যায়। সাইডবারে নোটস, ম্যাপ, নিউজ ফিড, ই-মেইল, চ্যাট ইত্যাদি বসানো যায় কাজের সুবিধার জন্য। এসব মডিউল আবার চাইলে ডেস্কটপের যেকোনো স্থানে বসাতে পারে ব্যবহারকারী।
গুগল ডেস্কটপ আউটলুকের সঙ্গে ইন্টিগ্রেশন করা যায়। ফলে আউটলুকের মেইল সহজে সার্চ করা যায়। এ ছাড়া নিরাপত্তার জন্য ব্যবহারকারী তার গুগল ডেস্কটপ লক করতে পারবে, যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ যেন তার কম্পিউটারে কিছু খুঁজতে না পারে। এটি http://desktop.google.com/ সাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
গুগল ডেস্কটপ ইনস্টল করার পরপরই এটি ই-মেইল, ফাইল, ওয়েব হিস্ট্রি ইত্যাদি ইনডেক্সিং করা শুরু করে। এটি নির্ভর করে কম্পিউটারে কী পরিমাণ ফাইল আছে তার ওপর। কম্পিউটার আইডল অবস্থায় থাকলে গুগল ডেস্কটপ এ কাজটি করে, ফলে ব্যবহারকারী ব্যবহার করার সময় এটি কম্পিউটারের গতি কমায় না। গুগল ডেস্কটপ মোটামুটি সব ধরনের ফাইলই সমর্থন করে।
গুগল ডেস্কটপ কম্পিউটারের ক্যাশে কপি করে রাখে, ফলে কোনো ফাইল ব্যবহারকারী ভুলে ডিলেট করে ফেললে তা গুগল ডেস্কটপ দিয়ে সার্চ করে খুঁজে বের করা সম্ভব। এ ছাড়া অ্যাডভান্স সার্চ অপশনের মাধ্যমে সার্চ করার সীমানা নির্দিষ্ট করে দেওয়া যায়।
গুগল ডেস্কটপই প্রথম ডেস্কটপ গ্যাজেট ও সাইডবারের ধারণা দেয়। গুগল ডেস্কটপ ইনস্টল করলে একটি সাইডবার ডেস্কটপে দেখা যায়। সাইডবারে নোটস, ম্যাপ, নিউজ ফিড, ই-মেইল, চ্যাট ইত্যাদি বসানো যায় কাজের সুবিধার জন্য। এসব মডিউল আবার চাইলে ডেস্কটপের যেকোনো স্থানে বসাতে পারে ব্যবহারকারী।
গুগল ডেস্কটপ আউটলুকের সঙ্গে ইন্টিগ্রেশন করা যায়। ফলে আউটলুকের মেইল সহজে সার্চ করা যায়। এ ছাড়া নিরাপত্তার জন্য ব্যবহারকারী তার গুগল ডেস্কটপ লক করতে পারবে, যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ যেন তার কম্পিউটারে কিছু খুঁজতে না পারে। এটি http://desktop.google.com/ সাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
ছবি থেকে ভিডিও বানানোর দারুন এবং সহজ একটি সফটয়্যার মাত্র ১.৫ মেগাবাইটে
পিকচার টু ভিডিও কনর্ভাটার ছোট পাওয়াফুল একটি সফটওয়্যার যা দ্বারা আপনি খুব সহজে ছবি থেকে ভিডিও গান তৈরী করতে পারবেন।
নিচেন ডাউনলোড লিঙ্ক থেকে সর্বপ্রথম সফটওয়্যার’টি ডাউনলোড করে নিন মাত্র ১.৫ মেগাবাইটে। আনজিপ করার পর এপ্লিক্যাশন’টি চালু করুন। এড ফটো তো আপনার পছন্দমত ছবি যোগ করুন, এড মিউজিকে আপনার পছন্দের গান দিয়ে দিন… এভাবে পরবর্তী ধাপগুলো সম্পূর্ন করুন এবং প্রিভিউতে গিয়ে তার আউটপুট দেখতে পাবেন। আপনি চাইলে WMV, ASF, MKV ইত্যাদি ফরমেটে ফাইলগুলো সেভ করতে পারবেন। হাই রেজুল্যাশনে সহজেই বানাতে পারবেন ছবি থেকে ভিডিও।
আপনার উইন্ডোজ XP’কে উইন্ডোজ সেভেনে রূপান্তর করে নিন।
বর্তমানে উইন্ডোজ সেভেন দারুন জনপ্রিয় একটি অপারেটিং সিস্টেম। বাজারে এক্সপি আসার ৫ বছর পরে এসেছিল উইন্ডোজ ভিসতা কিন্তু তা তেমন একটা সাফল্য লাভ করতে পারেনি। ভিসতা চালানোর জন্য হাই রিকোয়ারমেন্টের পিসির প্রয়োজনীয়তা এবং সফটওয়্যার সাপোর্টের দুর্বলতা ছাড়াও আরো অনেক কারণ ছিলো যা ভিসতার সাফল্যের পথে বাধা ছিলো।
ভিসতার সব দুর্বলতা কাটিয়ে একে আরো হাল্কা, সুন্দর ও সাবলীল করে কমপিউটার ব্যবহারকারীদের হাতে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে মাইক্রোসফট একটি উদ্যোগ নেয় এবং তা হচ্ছে তাদের নতুন উইন্ডোজ, যার নাম উইন্ডোজ সেভেন। নতুন এই উইন্ডোজটিকে তারা ভিসতার সফল রূপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
বিশ্বব্যাপী বেশিরভাগ কমপিউটার ব্যবহারকারীর পিসিতে যে অপারেটিং সিস্টেমটি পাওয়া যাবে তা হচ্ছে উইন্ডোজ। তাই বলে লিনাক্স নামের মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম ও ম্যাক ওএস-এর চাহিদাও যে বাজারে কম তা বলা যাবে না। সাধারণ কমপিউটার ব্যবহারকারীদের বেশিরভাগেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে উইন্ডোজের নাম।
.
উইন্ডোজ সেভেন আসার পর অনেকেই এক্সপি, ভিসতা ছেড়ে সেভেনের দিকে ঝুকছে কারন এর আকর্ষনীয় গ্রাফিক্স সবাইকে মুগ্ধ করছে এমনকি।
ক্রমাগত উইন্ডোস সেভেনের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে মানুষের। এখন এক্সপি ব্যবহারকারীরা উইন্ডোজ সেভেনের স্বাদ নিতে পারেন সহজেই। শুধু মাত্র একটি এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে সেটি ইন্সটল করে নিন দেখবেন আপনার উইন্ডোজ এক্সপি হুবুহু উইন্ডোজ সেভেনের মত হয়ে গেছে। এ্যাপ্লিক্যাশন’টি আপনার কম্পিউটার স্ক্রীন, আইকন ইত্যাদি সব কিছু পালটে দেবে।
XP ডিফল্ট থিম, এ্যাপ্লিক্যাশন’টি ইন্সটল করার পূর্বে:
এ্যাপ্লিক্যাশন’টি ইন্সটল করার পর:
“এখান” থেকে ডাউনলোড করে Install করে নিন।
অথবা চাইলে ব্ল্যাক এডিশন’টি ডাউনলোড করতে পারেন:
ব্ল্যাক এডিশন’টি “এখান” থেকে ডাউনলোড করে Install করে নিন।
Subscribe to:
Comments (Atom)
শিখেনিন Windows-7 Setup
আপনারা যারা Windows 7 setup করার জন্য অন্য ব্যক্তির দারস্থ হতে হয় তাদেরকে বলছি- শিখে নিন, আর কত হাঁটবেন অন্যের দুয়ারে? আমি এইখানে অনেক সহ...
-
অনেকেই ফায়ারফক্স এ বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে ইনস্টল করেন টুলবার। থাকে অনেক অনেক বুকমার্ক। ফলে ওয়েব পেজ দেখার জন্য যে স্থানটি রয়েছে সেটে সংকুচ...